Philosophy

কৃষ্ণ-জীবনে ভগবদ্গীতা – শান্তি পথ

গীতায় কৃষ্ণ শান্তিলাভ করার নিমিত্ত এক অশ্রুতপূর্ব সূত্র প্রদান করেন। তিনি বলেন যে, যখন কোনও ব্যক্তি কামনার ঊর্দ্ধে গিয়ে, আকাঙ্ক্ষা পরিত্যাগ ক’রে, অহং এবং অধিকারবোধ বর্জন ক’রে জীবন অতিবাহিত করেন, তখনই সেই ব্যক্তি প্রকৃত শান্তিলাভ করেন (ভ. গী. ২.৭১)। কৃষ্ণ নিজজীবনে শান্তিলাভের জন্য অবিকল এই পন্থাই অনুসরণ করেছেন।

The Singularity of the Bhagavad Gita: Introduction

Note: This is the English translation of Dr. S.R. Ramaswamy’s Kannada article titled “Giteya ananyate” published in the December 2018 edition of the “Utthana” magazine.

The world famous writer on spirituality, Paulo Coelho said the following on a recent occasion: “The moment I read the Bhagavad Gita, I fell in love with the book. It continues to be my book for all times. The Gita teaches you to understand the mystery, accept your destiny and when there is a battle to face, to go forth and fulfil your task.”

কৃষ্ণ-জীবনে ভগবদ্গীতা – সারল্য

কৃষ্ণের জীবনের প্রারম্ভে তেমন প্রাচুর্য না থাকার কারণেই সম্ভবত তিনি অনাড়ম্বর জীবনেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন। যদিও পরবর্তীকালের পণ্ডিতদের কল্পনায় কৃষ্ণের পরিহিত বহুমূল্য বস্ত্রাদির উল্লেখ পাওয়া যায়, কিন্তু প্রাচীন গ্রন্থগুলি থেকে তেমন কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়না। তাঁর বস্ত্রের বর্ণ ছিল হলুদ (পীতাম্বর), খুব সম্ভবত তাঁর কৃষ্ণ গাত্রবর্ণের সঙ্গে মানানসই হত বলে। তাঁর ভূষণ ছিল যৎসামান্য। তিনি বনপুষ্পমাল্যে ও মৌরমুকুটে সুশোভিত হতেই পছন্দ করতেন।

কৃষ্ণ-জীবনে ভগবদ্গীতা – বহুজ্ঞ কৃষ্ণ

গোপালকদের মাঝে বেড়ে ওঠা কৃষ্ণ ছিলেন প্রকৃত অর্থেই একজন ভূমিপুত্র। শিশুকাল থেকেই যেন প্রকৃতির সাথে তাঁর আত্মিক যোগ। শৈশবেই তিনি প্রাকৃতিক পরিবেশকে শ্রদ্ধা করতে শিখেছিলেন। ভাগবত পুরাণের একটি অধ্যায়ে তাঁকে একটি সুপ্রাচীন বটবৃক্ষের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে দেখা যায় (ভা.পু. ১০.২২)। বৃক্ষ, গাভী ও মানুষের প্রতি কৃষ্ণকে সশ্রদ্ধ হতে দেখা যায়। সশ্রদ্ধ হতে দেখা যায় সমগ্র সৃষ্টির প্রতি। এমনকি, যুদ্ধে পরাজিত করার পরেও তিনি কালিয়ানাগকে বধ করেননি, বরং পুনর্বাসিত করেন (ভা.পু.

কৃষ্ণ-জীবনে ভগবদ্গীতা – শৈশব

এমন কিছু মানুষ থাকেন যাঁদের বয়সের সাথে পূর্ণতা লাভ করার প্রয়োজন পড়েনা, জন্মের সাথে সাথেই যাঁরা সম্পূর্ণ, আত্মজ্ঞানে পরিপূর্ণ। আন্তর বিবর্তন ও মানসিক বৃদ্ধি তাঁদের নিষ্প্রয়োজন, কারণ তাঁরা ইতিমধ্যেই বিবর্তিত। কৃষ্ণ হলেন তাঁদেরই একজন। শৈশবাবস্থার কৃষ্ণলীলা আমাদের সবিস্তারে পরিচিত হলেও, তাঁর তৎকালীন চিন্তাধারা আমাদের অবগত নয়। আমরা যেটুকু বুঝতে পারি সেটা হচ্ছে, তিনি ছিলেন এমন একজন মানুষ যিনি শৈশবাবস্থা থেকেই সকল উত্থান-পতন কে জীবনের অঙ্গ হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। ভালমন্দ সমেত জীবনকে সাদরে গ্রহণ করেছিলেন (ভ.গী. ২.৫০)।

কৃষ্ণ-জীবনে ভগবদ্গীতা – কথামুখ

আমাদের অনেকের কাছেই কৃষ্ণ হলেন হিন্দুধর্মাদর্শের প্রতীক। তাঁর প্রতিটি চিন্তাধারায়, বাণীতে ও কর্মে হিন্দুমতাদর্শ প্রতিফলিত হয়। তাই এতে এমন কিছু আশ্চর্য লাগেনা, যখন দেখা যায় যে, ভারতযুদ্ধকালীন অর্জুনকে প্রদত্ত তাঁর পরামর্শ গুলি হিন্দু-ভাবনার সর্বশ্রেষ্ঠ সারকথা রূপে পূজিত হয়। ভগবদ্গীতার বর্তমান রূপ-টির প্রতিটি শব্দই যে কৃষ্ণ কর্তৃক উচ্চারিত হয়েছিল, তা আজ জোর দিয়ে বলা না গেলেও, খুব সম্ভবত এটাই মনে হয় যে, অন্তত গীতার মূল সার-টি কৃষ্ণেরই বাণী। আমরা সকলেই কখনও না কখনও এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি, যেখানে কোনও এক হতাশাগ্রস্ত বন্ধু পরামর্শ আশা করেছে। এমতাবস্থায় আমাদের সবচেয়ে স্বাভাবিক প্রবৃত্তি হল,

The Eight Ātma-guṇas of Gautama-dharma-sūtra (Part 1)

Kalpa is one of the six Vedāṅgas (limbs of the Vedas).[1] The traditional view is that without the help of these Vedāṅgas, the real meaning of the Veda cannot be deciphered. The etymological expansion of the word ‘kalpa’ is ‘kalpante vā anena vedāḥ’ – it helps us understand the Vedas correctly; it ensures that we execute the Vedas in the right manner.

சிவ-ராம-கிருஷ்ணன்: சமுதாயக் குறியீடு

பொது வாழ்க்கை பல முரண்பாடுகள் நிரம்பியது. தன்னைப்பற்றி பிறர் என்ன கூறுகிறார்கள் என்பதை லட்சியம் செய்யத் தேவையில்லை. இருப்பினும் தன் மேல் சுமத்தப்பட்ட களங்கத்தைத் துடைத்தே ஆக வேண்டும். ஏனெனில் நற்பெயர்தானே பொது வாழ்க்கைக்கான அஸ்திவாரம். கிருஷ்ணனது வாழ்வில் ‘சியமந்தகமணி’ அத்தியாயமே இதற்கான சிறந்த உதாரணம். அதை அணிந்துச் சென்ற சத்ரஜித்தின் சகோதரன் இறந்து கிடந்தான். அதற்காக திருடன், கொலைகாரன் என்று கண்ணன்மீது பழி சுமத்தினான் சத்ரஜித். உடனே கண்ணன், இன்னும் இருபத்தோரு நாட்களில் தான் அந்த நகையைக் கண்டுபிடிக்காவிட்டால் தான் மீண்டும் துவாரகைக்குத் திரும்பி வரப்போவதில்லை என சபதம் செய்தான்.

சிவ-ராம-கிருஷ்ணன்: விரோதிகளின் மத்தியில்

தனி மனிதனாக நம்மால் நேர்மையாக நிமிர்ந்து நிற்க முடியும். ஆனால் சமூக வாழ்க்கைக்கு இது சாத்தியப்படாது. தீய சக்திகளை வெற்றிகொள்ள பற்பல உத்திகளைக் கையாள வேண்டும். நம்மால் கிருஷ்ணனிடத்தில் தொலைநோக்கும், புத்திசாலித்தனமும் மிளிர்வதைப் பல இடங்களில் காணமுடிகிறது. பாண்டவர்களிடத்தே நட்புபாராட்டுவதற்கு முன்பே, மாற்றத்திற்கான விதையை விதைத்துவிட்டான்.