Philosophy

Bhārata-Sāvitrī (Part 1)

The greatest and most expansive epic in the world, the Mahābhārata, is a unique Itihāsa treatise that captures all the prominent events of the Dvāpara-yuga[1]. Bhagavān Veda-vyāsa, who has obtained an exalted position among the ranks of the cirañjīvīs[2] of our tradition, is not merely the creator of the Mahābhārata but is also an important character in it.

The Nature of the Gītā

The Nature of the Work

The Gītā is simultaneously a simple-difficult work or a difficult-simple work. What does it mean? Words may be simple to understand but the meaning of the sentence is difficult. The part that teaches nīti is simple; the part that establishes philosophy is not. It is thus easy to fall in the trap of thinking that one has understood the Gītā. However, it is hard to realise its essence in one’s mind.

Jīvana-dharma-yoga: Introduction

[On the occasion of D V Gundappa’s forty-fifth death anniversary, Prekshaa is delighted to publish the first episode of a new series – a modern English translation of DVG’s Kendra Sahitya Akademi Award-winning work, Bhagavad-gītā-tātparya or Jīvana-dharma-yoga. Translated from the original Kannada treatise by Sri. Raghavendra Hebbalalu and Smt. Sreelalitha Rupanagudi. —Editor]

Invocation

जगद्रणाङ्गणे यस्य
स्मरणं जयकारणं।
पार्थसारथये तस्मै
श्रीकृष्णब्रह्मणे नमः॥

কৃষ্ণ-জীবনে ভগবদ্গীতা – উপসংহার

অর্জুনকে শোক থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করে কৃষ্ণ গীতার সূচনা করেন – “জীবিত বা মৃত, কারোর জন্য অশ্রুপাত করনা” (ভ. গী. ২.১১)। এবং তিনি গীতার পরিসমাপ্তিও করেন অর্জুনকে শোক থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ ক’রে – “আমার উপর বিশ্বাস রাখ। আমি তোমাকে মোক্ষ প্রদান করব। তুমি কেঁদো না” (ভ. গী. ১৮.৬৬)। ক্রন্দন থেকে বিরত থাকার এই দুটি মন্ত্রণার মাঝেই তিনি গীতার সমস্ত শিক্ষাদান করেন। কিন্তু কৃষ্ণ তাঁর নিজের জীবনে কি কখনও অশ্রুপাত করেছেন ?

কৃষ্ণ-জীবনে ভগবদ্গীতা – ঋষিসুলভ কৃষ্ণ

গীতায় কৃষ্ণ একজন “স্থিতপ্রজ্ঞ” ব্যক্তি হয়ে ওঠার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণার অবতারণা করেছেন, অর্থাৎ, একজন ব্যক্তি যিনি বিচার-বিবেচনাপূর্ণ এবং অবিচলিত বুদ্ধিমত্তার অধিকারী। তিনি বলেন, “যিনি স্বার্থপরতা বর্জন করে শুধুমাত্র সত্যের স্বরূপেই পরিতৃপ্তি লাভ করেন, তিনিই ‘স্থিতপ্রজ্ঞ’ “(ভ. গী. ২.৫৫)। অন্যভাবে বলা যায়, তিনি অর্জুনকে ‘দেহাভিমান’ ত্যাগ করতে বলছেন, যার অর্থ সেইপ্রকার মনোভাব, যখন জীবনের প্রতি নিবদ্ধ দৃষ্টি একরকম দেহ ও বস্তুভিত্তিক ঘোরের মধ্যে থাকে।