Philosophy

ಭಾರತ-ಸಾವಿತ್ರೀ (ಭಾಗ 2)

ಪುರುಷಾರ್ಥಜಿಜ್ಞಾಸೆ

ಇಲ್ಲಿಯ ಸಂದೇಶದ ಅಂಶಗಳು ಗ್ರಂಥದುದ್ದಕ್ಕೂ ಅಲ್ಲಲ್ಲಿ ಬಂದಿರುವಂತಹವೇ ಆಗಿವೆ. ಮುಖ್ಯವಾದ ಸಂದೇಶ – ಜಗತ್ತಿನಲ್ಲಿ ಪ್ರಾಥಮ್ಯಕ್ಕೆ ಅರ್ಹವಾದ ತತ್ತ್ವವೆಂದರೆ ಧರ್ಮವು ಮಾತ್ರವೆಂಬುದು; ಧರ್ಮವು ಮಾತ್ರ ಅಂತಿಮವಾಗಿ ಜಗತ್ತಿನ ಸಂಸ್ಥಿತಿಗೂ ಸಂಕ್ಷೇಮಕ್ಕೂ ಕಾರಣವಾಗಬಲ್ಲದು – ಎಂಬುದು. ಸಾಮಾನ್ಯವಾಗಿ ವ್ಯಾವಹಾರಿಕ ಜೀವನದ ಸ್ತರದಲ್ಲಿ ಜನರ ಹೆಚ್ಚಿನ ಲಕ್ಷ್ಯವನ್ನು ಸೆಳೆಯುವವು ಅರ್ಥ ಮತ್ತು ಕಾಮಗಳೇ ಆದರೂ, ಭೌತಸಮೃದ್ಧಿ ಮತ್ತು ಕಾಮಪೂರಣಗಳೆಂಬ ಪುರುಷಾರ್ಥಗಳನ್ನೂ ಧರ್ಮವೇ ಸಾಧಿಸಿಕೊಡಬಲ್ಲದು – ಎಂದು ವ್ಯಾಸರು ಹೇಳಿರುವುದನ್ನು ಗಮನಿಸಬೇಕು.

কৃষ্ণ-জীবনে ভগবদ্গীতা – ঔদার্য

ভাগবত পুরাণে কৃষ্ণের প্রাসাদে কুচেলার আগমন নিয়ে একটি মর্মস্পর্শী অধ্যায় আছে। সান্দীপনীর গুরুকুলে কৃষ্ণ এবং কুচেলা সহপাঠী ছিলেন। যখন কৃষ্ণ রাজার ন্যায় জীবনযাপন করছেন, তখন কুচেলা অত্যন্ত দারিদ্রের মধ্যে। কুচেলা কতকটা সাহায্যপ্রার্থী হয়েই পুরাতন বন্ধু কৃষ্ণের কাছে এসেছিলেন, কিন্তু যখন তিনি কৃষ্ণের সঙ্গে মিলিত হলেন, তখন আর সেকথা বলতে পারলেননা।

Jñāneśvarī – Unsullied by Time (Part 2)

Bhakti-Vairāgya (Devotion-Detachment)

Jñāneśvara’s school of philosophy broadly aligns with Advaita-vedānta; even so, it is not possible to pigeonhole his ideas to one particular school of thought. In this work, we can see threads of all major Indian darśanas. It would not be incorrect, however, to say that the Jñāneśvarī lays emphasis on Bhakti (devotion) and Vairāgya (detachment).

কৃষ্ণ-জীবনে ভগবদ্গীতা – ভক্তি

গীতায় কৃষ্ণকে প্রায়শই ভক্তি সম্বন্ধে কথা বলতে লক্ষ্য করা যায়। তিনি যতদূর বলেন - যে রূপে চাও সেই রূপে আন্তরিকভাবে ঈশ্বরের উপাসনা কর ; তোমার বিশ্বাসকে আমি শক্তিপ্রদান করব (ভ.গী. ৭.২১)। কিন্তু একথা কি কৃষ্ণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ? তিনি কি একজন ভক্ত? নাকি একজন দাম্ভিক দেবতা?

The Reverence Accorded to the Bhagavad-gītā - Part 1

A popular dhyāna-śloka (benedictory verse) for the Bhagavad-gītā is as follows:

bhīṣma-droṇa-taṭā jayadratha-jalā gāndhāra-nīlotpalā

śalya-grāhavatī kṛpeṇa vahanī karṇena velākulā |

aśvatthāma-vikarṇa-ghora-makarā duryodhanāvartinī

sottīrṇā khalu pāṇḍavai raṇa-nadī kaivartakaḥ keśavaḥ ||[1]

 

The Pāṇḍavas crossed this great war-river –

কৃষ্ণ-জীবনে ভগবদ্গীতা – যুদ্ধ

গীতার মূল উদ্দেশ্য ছিল অর্জুনকে যুদ্ধে সম্মত করিয়ে শত্রুনিধন। কৃষ্ণ তাঁর বাক্যে কোনরকম জড়তা না রেখে অর্জুনকে অগ্রসর হয়ে প্রতিপক্ষের সম্মুখীন হওয়ার কথা বলেন। অর্জুনের মনে এই প্রত্যয় আনয়নের পথে তিনি নানাবিধ যুক্তিজাল বিস্তার করেছেন (ভ. গী. ২.৩১-৩৩, ১১.৩৪)। কিন্তু এগুলি কোনও শূন্যগর্ভ উপদেশাবলী নয়। কৃষ্ণ নিজেও প্রচুর প্রাণনাশ করেছেন। তিনি নিজেও নিজেরই আত্মীয়স্বজনকে হত্যা করেছেন। তিনি নিজের মাতুল কংসকে বধ করেছেন কারণ কংস একজন ধর্মভ্রষ্ট অত্যাচারী শাসকে পরিণত হয়েছিলেন। তিনি পূতনা (ভ.পু. ১০.৬), শকটাসুর (ভ.পু. ১০.৭), অঘাসুর (ভ.পু. ১০.১২), ধেনুকাসুর (ভ.পু. ১০.১৫), প্রলম্বাসুর (ভ.পু.